Home বাংলাদেশ ওয়াহিদা খানমের ঘটনার কারণ হিসেবে অনেক তথ্য উঠে এসেছে

ওয়াহিদা খানমের ঘটনার কারণ হিসেবে অনেক তথ্য উঠে এসেছে

113
0

শে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই চলছে। এবার এক ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাসায় নেক্কার জনক ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে এই নেক্কারজনক ঘটনা নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনা দেখা দিয়েছে। এদিকে এই ইউএনওর অবস্থা খারাপ হলে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনা হয়েছে। তবে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা মটেও ভালো না। এই ঘটনা কেন ঘটেছে তা নিয়ে বর্তমানে দিনাজপুরের অনেকে নানা রকম কথা বলছেন।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে মা’রা’ত্ম’ক’ভা’বে আ’হ’ত ইউএনওকে। তার অবস্থা আ’শ’ঙ্কা’জনক।
ত্রিমুখী আ’ক্রোশের শি’কার হয়েছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানম। বাসায় ঢুকে তাকে ও তার বাবাকে হা’তু’ড়ি দিয়ে পি’টি’য়ে আ’হ’ত করেছে দুর্বৃত্তরা।
জানা গেছে, ঘোড়াঘাটের ইউএনওর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি ওয়াহিদা খানম। ওই উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত ছিল মা’দ’ক চো’রা’চা’লা’নে’র নিরাপদ রুট। কিন্তু ইউএনও তৎপরতায় মা’দ’ক ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা করতে পারছিল না। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াহিদা খানমের প্রতি ক্ষু’ব্ধ মা’দ’ক ব্যবসায়ীরা।
এদিকে করোনা মহামারিতে তার এলাকায় ত্রাণ আ’ত্ম’সা’তে’র অভিযোগ ওঠে। অভিযান চালিয়ে সেসব ত্রাণ উদ্ধার ও অভিযুক্তদের বরখাস্ত করেন ইউএনও ওয়াহিদা খানম। এ কারণে তার প্রতি ক্ষু’ব্ধ ছিলেন বরখাস্ত ও ত্রাণ আ’ত্মসাতে জড়িতরা। এই ত্রিমুখী ক্ষোভের কারণেই ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হা’ম’লা করা হয়েছে বলে ধারণা ঘোড়াঘাটের সচেতন নাগরিকদের।
জানা গেছে, ঘোড়াঘাটে জমি দখল, বাড়িঘর ভা’ঙ’চু’র, চাঁদাবাজি, অবৈধভাবে বালু তোলাসহ বিভিন্ন অ’প’রা’ধ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রেখেছেন ওয়াহিদা খানম। এসব অপরাধে জড়িত কয়েকজন চিহ্নিত ব্যক্তি নিয়মিত হু’মকি দিত ইউএনওকে। তারাও হা’ম’লা’র ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
বুধবার রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারি বাসভবনের ভেন্টিলেটর ভে’ঙে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীকে হা’তু’ড়ি দিয়ে পি’টি’য়ে গু’রুতর আ’হ’ত করে দুই দুর্বৃত্ত। ওই সময় বাসার নৈশপ্রহরীকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার ভোরে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ইউএনওকে রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। অবস্থা আ’শঙ্কাজনক হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হা’তু’ড়ি’র আ’ঘা’তে ওয়াহিদা খানমের মাথার খু’লি ভে’ঙে ভেতরে ঢুকে গেছে। এতে তার ডান হাত ও পা অচল হয়ে পড়েছে। এখনই অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ দিকে, এ ঘটনায় রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ ও র‌্যাব বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে- হা’ম’লা’কা’রী’রা দুইজন ছিল। তাদের একজনকে মাস্ক পরা অবস্থায় দেখা গেছে। আরেকজনের চেহারা বোঝা যাচ্ছিল না। সূত্র:bangladeshtoday.net

এদিকে, এই ঘটনা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আর সেখানকার প্রশাসনের কর্মকর্তারা বর্তমানে সিসি ক্যামারা দেখে এই ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করছেন। তবে বর্তমানে ওয়াহিদা খানমের অবস্থা মোটেও ভালো নয়। এমনকি বর্তমানে তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার অবস্থা নেই বলে জানা গেছে। আর তার বাবার অবস্থাও খুব একটা ভালো না তিনিও এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here