Home বাংলাদেশ যশোর মণিরামপুরে প্রকাশ্যে গুলী করে ও কুপিয়ে হত্যা

যশোর মণিরামপুরে প্রকাশ্যে গুলী করে ও কুপিয়ে হত্যা

134
0

নিজস্ব সংবাদদাতা: যশোরের মণিরামপুরে দিবালোকে গুলী করে ও কুপিয়ে হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে যশোর পুলিশ। শনিবার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন পিপিএম এক প্রেস ব্রিফিংএ জানান, চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডটির ক্লু উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

হত্যাকান্ডে জড়িত ৫জন চরমপন্থী সন্ত্রাসী আটক এবং একটি দোনলা বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও তাদের ব্যববহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয়। বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, এসপির নির্দেশে দিনরাত অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আটক এবং পুরো ঘটনা উদঘাটন করা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে যশোরের এসপির বিরাট সাফল্য বলে তারা উল্লেখ করেন।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন পিপিএম জানান, গত ৯ জুলাই দুপুরে মণিরামপুরের মধুপুর গ্রামের আমারত বিশ্বাসের পুত্র রফিকুল ইসলামকে (৫০) কুচলিয়া এলাকায় দিনে দুপুরে সন্ত্রাসীরা গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিরিনা আক্তার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মণিরামপুর থানায় মামলা (নম্বর ০৬/০৯.০৭.২০২০) করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, মামলাটি চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হওয়ায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, কোতয়ালী থানা, অভয়নগর থানা ও মণিরামপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেন। অভিযানে শুক্রবার অভয়নগর ও মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হেলাল ভূঁইয়া (২০), মো. সেলিম (২২), হাসান আলী, (৩৫), সমীরণ পাঁড়ে (৫৪) ও তাপস মোড়ল (৩৮) নামে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা নিজেদের চরমপন্থী সংগঠন ‘নিউ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি’র সদস্য পরিচয় দিয়ে এলাকায় ঘের দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করে আসছিল। নিহত রফিকও একসময় তাদের সদস্য ছিলেন। ঘটনার দিন তাকে টাকা ও মোবাইল ফোন সেট দেওয়ার কথা বলে পরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা করে সহযোগীরা।

পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন শিকদার, জেলা বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম পিপিএম ও ডিবি পুলিশের ইনসপেক্টর মারুফ আহমেদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here